৩/ এখন, গল্পে সজল ও কুরবানের মার সম্পর্ক আমাদের সমাজের বাস্তবতার সাতে কিছুটা মিল রেখে লিখবেন আশা করি। হঠাৎ করেই যেন চুদাচুদি না হয়ে যায় সেদিক খেয়াল রাখতে রাইখেন। দুজনের মাঝে আকর্ষনের একটা যৌক্তিক কারন দিয়েন।যেহেতু কুরবানের মা গ্রামের আদর্শ গৃহবধু টাউপের। গল্পের সময় গ্রীষ্মকাল। কখনও গরম, রোদ খরা, কখনও বৃষ্টি। কুরবানের মা দুপুরবেলা বাড়ির উঠান ঝাড়ু দিচ্ছে ঘেমে শাড়ী ব্লাউজ ভিজে গেছে, এমন সময় সজল হাজির, এরকম একটা দৃশ্য রাইখেন। একবার চোদাচুদি হবে জোৎস্না রাতে খড়ি রাখার ঘরের পাশে। আরেকদিন আরেকবার হবে রাতের বেলা বৃষ্টির মধ্যে টিনের ঘরে পুরনো চৌকির উপর। পূর্ণিমা রাতে বাড়ির পাশে মেহগনি গাছের বাগানে মাদুর বিছিয়ে চোদাচুদির দৃশ্য রাইখেন একটা। এই দৃশ্যে কুরবানের মার লম্বা ঘন চুল খামছে ধরে টেনে কুত্তা চুদা দিবে। আরেক দিন জোৎস্না রাতে উঠানের মাঝে পুঁই শাকের মাচার নিচে কামনায়, চুমাচুমি, জিহবা চুষাচুষিতে ভরপুর আগ্রাসী চোদাচুদি রাখবেন।
আর হ্যাঁ, সজল আর কুরবানের মার সম্পর্কের প্রথম দিকে রাতের বেলা বাড়ির পাশে গাছের নিচে চুমাচুমির, টেপাটেপির দৃশ্য রাখবেন। ২১ বছর বয়সী সদ্য যুবকের সাথে ১১ বছরের বড় ৩২ বছর বয়সী বিবাহিত এক বাচচার মার পরকীয়ার উদ্দেশ্য করে রাতের বেলা দেখা করার যে ভয়, উত্তেজনা, চুমাচুম, চুষাচুষি সেটা এই দৃশ্যে নিপুণভাবে রসিয়ে রসিয়ে ফুটিয়ে তুলবেন। চোদাচুদির সময় ন্যাচারাল শীৎকার, উত্তেজক কথাবার্তা, হালকা পাতলা করে দুই তিনটা গালি ব্যবহার কইরেন। যেমন, কুরবানের মাকে ছেনাল, সজলকে লুচ্চা ইত্যাদি।
প্রতি চোদাচুদিতে সজল কুরবানের মার বুকে, কোমরে, উঁচু ভারী নিতম্বে আঁচড়ে, কামড়ে, চুষে, চেটে একাকার করে দেয় এটা নিশ্চিত কইরেন।
সবশেষে গল্প যেন ন্যাচারাল গতিতে এগিয়ে যায়।কিছুটা বাস্তবতার ছোঁয়া যেন থাকে।
সবশেষে একটা সুন্দর বেশ বড় গল্প উপহার দিবেন এই কামনায়।