পাশে কয়েকটা ফুসকার দোকান। দোকানগুলোতে বেশ ভিড় জমেছে। একটা দোকানে আমার এক ক্লাসমেটকে দেখলাম। তার সাথে একটা মেয়ে দাড়িয়ে। ক্লাসমেটের চোখে চোখ পড়তেই ওর কাছ থেকে একটা মুচকি হাসি উপহার পেলাম। আমি ওদের পাশে দাড়িয়ে ফুসকাওয়ালা মামাকে তিনপ্লেট ফুসকা দিতে বললাম। ফুসকা খেতে খেতে বন্ধুর কাছে জানতে পারলাম মেয়েটি তার প্রেমিকা। মাঝে মাঝে তাদের মধ্যে একটু আকটু ভালোবাসার প্রকাশ দেখছি। যেমন একে অপরকে ফুচকা খায়িয়ে দেয়া। ফুচকা খাওয়ার সময় মেয়েটার চোখমুখ দেখে মনে হলো তিনবেলা ভাতের পরিবর্তে ফুসকা দিয়ে বসিয়ে রাখলেই চলবে। প্রথমে দূর থেকে দেখে মেয়েটাকে আমার বন্ধুর বোন ভেবে ভুল করেছিলাম। সাজির স্মৃতিটা আবার তীব্র হচ্ছে। ও বেঁচে থাকলে হয়তো আর দশটা মেয়ের মতো ফুচকা খাওয়ার আবদার জানাতো। ফুচকার স্বাদটা এখন ক্রমশো তেতো হয়ে উঠছে। এইতো কয়েকমাস আগে পাশে দাড়িয়ে থাকা বন্ধুটির সাথে আরেকটা মেয়ের প্রেম ছিল। একটা সময় সে ঐ মেয়েটির মন রাখার জন্য ব্যস্ত থাকতো আর এখন এই মেয়েটির জন্য পুরনো গল্পগুলো নতুন করে সাজায় সে। কি অদ্ভুত জটিল আমরা....।

ŞİMDİ OKUDUĞUN
শিউলি ফুল [Completed]
Kısa Hikayeশরতের বিকেল, আকাশে তুলো উড়া মেঘ। কারন ছাড়া ভালো না লাগার এক বিকেল...