মুক্ত বিহঙ্গ

375 2 0
                                    

বেশ কিছুদিন ধরে বাড়িটা খালি খালি লাগছে পারমিতার কাছে। এতো বড় বাড়ি, মানুষও ৫জন কিন্তু যে যার মতো ব্যস্ত। অনুপমা দেবায়নকে নিয়ে, সোমেশ ব্যবসা নিয়ে, পায়েল অফিস নিয়ে আর অঙ্কন কলেজ আর কলেজ শেষে পায়েলকে নিয়ে। কিন্তু এই ঘরে যে আরেকটা মানুষ আছে তা যেন কারোই খেয়ালই নেই। আগে যখন সারাদিন পার্টি নিয়ে থাকতো তখন কোন বন্ধুর অভাব ছিলো না। আর এখন দেবায়নের কারণে সেই সব উছশৃঙ্খলতা বাদ দিয়ে সংসারের কাজে নিজেকে মনোনিবাস করেছে, তারপরেও বুকটা কেমন যেন খালি খালি লাগে। এই যেমন এখন, সারা বাড়িতে সে ছাড়া কেউ নেই। সোমেশ আর পায়েল সকালেই চলে গেছে যে যার কাজে। অনুপমা দেবায়নকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে গতকাল তার বাড়িতে গেছে, রাতে আর ফিরেনি। আর তার একমাত্র ছেলে কলেজে থেকে ফিরবে দুপুরের পর। খাওয়াদাওয়া শেষ করেই আবার বের হয়ে যাবে বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে, ফিরবে সন্ধ্যায় পায়েলকে নিয়ে। কেন যেন একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে তার বুক ছিঁড়ে।

বাথরুমে ঢুকে ঝর্নার নিচে কাপড় না ছেড়েই দাঁড়িয়ে থাকে কিছুক্ষন। শরীরটা হটাত গরম হয়ে উঠেছে। আস্তে আস্তে গায়ের কামিজটা ভিজে লেপটে যায় শরীরের সাথে। কি ভেবে কাপড় না খুলেই ভিজা কাপড় পড়ে বের হয়ে আসে বাথরুম থেকে। ধীরে ধীরে আয়নার সামনে এসে দাঁড়িয়ে পরে। সিক্ত কামিজে ঢাকা নিজের শরীর আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে।

ভিজে কামিজটা ওর অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সাথে প্রলেপের মতন লেপটে গেছে। কোমরে হাত রেখে ধীরে ধীরে কামিজটা উপরের দিকে উঠিয়ে মাথা থেকে খুলে ফেলে পারমিতা। ঊর্ধ্বাঙ্গ সম্পূর্ণ অনাবৃত, দুই ভারী স্তন ছোট চাপা ব্রা'র বাঁধনে হাঁসফাঁস করে উঠছে। যেন দুই স্তন ওকে ডাক দিয়ে বলছে, আমাদের একটু বাঁধন থেকে মুক্তি দাও। পিঠের পেছনে হাত দিয়ে ব্রার বাঁধন আলগা করে দিতেই নড়ে উঠে দুই ভারী স্তন জোড়া ঠিকরে বেরিয়ে আসে। মুক্তি পেয়ে স্তন জোড়া আনন্দে লাফিয়ে ওঠে। কোমল ভারী স্তনের আকার দেখে নিজের বুকের রক্তে হিল্লোল দেখা দেয় পারমিতার। ইসসস, স্তনের বোঁটা জোড়া কি ভাবে ফুলে গেছে। ভিজে ব্রা খানা শরীর থেকে এক টান মেরে খুলে মেঝেতে ফেলে দেয়। পিঠের দিকে চাপা ব্রার দাগ পড়ে গেছে।

'পাপ কাম ভালোবাসা - ২'Wo Geschichten leben. Entdecke jetzt